মেঘনা ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করতে পারবেন নগদের গ্রাহকেরা

32


আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দেশের সাধারণ মানুষকে সহজ ও সাশ্রয়ী লেনদেনের সুযোগ করে দিতে বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে আন্তলেনদেন প্রক্রিয়া চালু করেছে ‘নগদ’। ফলে মেঘনা ব্যাংক থেকে খুব সহজেই অ্যাড মানি করতে পারবেন ‘নগদ’-এর গ্রাহকেরা। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, সম্প্রতি মেঘনা ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এই সেবা উদ্বোধন করা হয়। এ সময় নগদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ, বিজনেস সেলসের প্রধান মো. সাইদুর রহমান দিপু, ব্যাংক ও এফআই বিভাগের প্রধান শেখ সউদ বিন জাহান এবং মেঘনা ব্যাংক লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী সোহেল আর কে হোসেন, উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিআইও শ্যামল বি দাশ, হেড অব রিটেইল অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং এম নাজিম এ চৌধুরীসহ দুই প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 
 
এই চুক্তির ফলে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ‘নগদ’-এর গ্রাহকেরা যেকোনো সময় তাঁদের ওয়ালেটে মেঘনা ব্যাংক থেকে অ্যাড মানি করতে পারবেন। ফলে ‘নগদ’ ও মেঘনা ব্যাংকের গ্রাহকেরা আন্তলেনদেনের মাধ্যমে বাঁচাতে পারবেন তাঁদের মূল্যবান সময় ও অর্থ। পাশাপাশি গ্রাহকদের এ ধরনের অর্থ লেনদেনের প্রক্রিয়া হবে ঝামেলাহীন ও ঝুঁকিমুক্ত। 

চুক্তির বিষয়ে ‘নগদ’-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) রাহেল আহমেদ বলেন, ‘দেশের বেশির ভাগ বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে নগদে অ্যাড মানি করার সুযোগ তৈরি করেছি আমরা। মানুষকে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দেওয়ার জন্য আমরা শুরু থেকে কাজ করছি। এই চুক্তির মাধ্যমে গ্রাহকেরা আরও সহজে লেনদেন করতে পারবেন।’ 

 নগদ মূলত গ্রাহকদের দ্রুত ও উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে চালু করেছে ‘ব্যাংক টু নগদ’ অ্যাড মানি সার্ভিস। এই সেবার মাধ্যমে গ্রাহকেরা কোনো চার্জ ছাড়াই, নির্দিষ্ট ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং ও মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করে যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠাতে পারছেন নিমেষেই। 

গ্রাহকেরা ব্যাংক থেকে যেকোনো ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টে দৈনিক সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করতে পারবেন। এভাবে প্রতি মাসে সর্বমোট ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করতে পারবেন ওয়ালেটে। 

বর্তমানে তাৎক্ষণিকভাবে যেসব ব্যাংকের ইন্টারনেট ব্যাংকিং সার্ভিস ব্যবহার করে গ্রাহকেরা ‘নগদ’ ওয়ালেটে টাকা স্থানান্তর করতে পারছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক লিমিটেড, এক্সিম ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক, এনআরবি ব্যাংক, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, সিটি ব্যাংক লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেড, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড, বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড, প্রাইম ব্যাংক লিমিটেড ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড। 





Source link