ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ ব্যয় বাড়ছে ৩৫%

26


বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, সার ও গ্যাসের দাম বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে মূল্যস্ফীতির চাপ প্রশমনের লক্ষ্যে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রণোদনা ও ভর্তুকি বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে সরকার।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এতে তিনি ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাথমিকভাবে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেন, যা ২০২১-২২ অর্থবছরে ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। ফলে আগামী বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবাদ বরাদ্দ বাড়ছে ৫৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। 

বিশ্ববাজারে করোনা পরিস্থিতি ও ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবের প্রসঙ্গ টেনে বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, সামগ্রিক পরিস্থিতিতে সরকারের ভর্তুকি ব্যবস্থাপনার ওপরও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে ভর্তুকি ও প্রণোদনা বাবদ প্রাক্কলন ছিল ৫৩ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জ্বালানি তেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধিজনিত কারণে জ্বালানি তেল, বিদ্যুৎ, গ্যাস ও সারের ভর্তুকি বাবদ সরকারের ব্যয় বাড়ছে।’ ২০২১-২২ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ বরাদ্দ বেড়ে ৬৬ হাজার ৮২৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে এ বরাদ্দ আরও বেড়ে ৮২ হাজার ৭৪৫ কোটি টাকায় দাঁড়িয়েছে, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ১ দশমিক ৯০ শতাংশ।’ 

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে তেল, গ্যাস ও সারের মূল্যের সাম্প্রতিক যে গতিপ্রকৃতি তাতে ভর্তুকি ব্যয় আরও ১৫-২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে, যা আগামী অর্থবছরের বাজেট ব্যবস্থাপনার জন্য একটি চ্যালেঞ্জ।’ 

জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন

উল্লেখ্য, ২০২২-২৩ সালের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। এতে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।

এই সম্পর্কিত পড়ুন:





Source link