ঋণের সুদ পরিশোধে বরাদ্দ ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি

36


আগামী অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকার। বিশাল এ বাজেটে আয় ও ব্যয়ের অঙ্কের বেশ বড় ফারাক রয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ঘাটতি পূরণে সরকারকে নির্ভর করতে হচ্ছে ব্যাংক ও বিদেশি ঋণের ওপর। এ জন্য মোটা অঙ্কের সুদও পরিশোধ করতে হবে। আসছে বাজেটে শুধু সুদ পরিশোধ খাতে ৮০ হাজার কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিশ্ব অর্থনীতির অস্থির পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জ সামনে রেখে আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জাতীয় সংসদে ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করেছেন। এ বাজেট দেশের ৫১ তম এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৩ তম।

প্রস্তাবিত বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ খরচ হবে ৮০ হাজার ৩৭৫ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে ৭৩ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা অভ্যন্তরীণ ঋণের সুদ, আর বিদেশি ঋণের সুদ ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। 

জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন

প্রস্তাবিত বাজেটে অনুদান ছাড়া ঘাটতি থাকছে ২ লাখ ৪৫ হাজার ৬৪ কোটি টাকা, যা মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। দেশি-বিদেশি ঋণ থেকে এ অর্থ নেওয়া হবে। ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারকে বেশি নির্ভর করতে হবে ব্যাংকিং খাতের ওপর। এই খাত থেকে নিট ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা। আর ব্যাংকবহির্ভূত ঋণের মধ্যে শুধু সঞ্চয়পত্র থেকে ঋণ নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা, চলতি অর্থবছরে যা ছিল ৩২ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বিদেশি উৎস থেকে ঋণ নেওয়া হবে ৯৮ হাজার ৭২৯ কোটি টাকা। এ জন্য গুনতে হবে বড় অঙ্কের সুদ।

এই সম্পর্কিত পড়ুন:





Source link