অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ লক্ষ্য বেড়েছে, আমদানি লক্ষ্য অর্ধেক

26


বিশ্বব্যাপী খাদ্যপণ্যের দাম হু হু করে বাড়ছে। কোভিড মহামারি, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে খাদ্যশস্য উৎপাদন ব্যাহত এবং ইউরোপের রুটির ঝুড়ি ইউক্রেনের রাশিয়ার সামরিক অভিযানের ফল এটি। সারা বিশ্বেই খাদ্যনিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চাল ও গম সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে। আগামী অর্থবছর এই দুই খাদ্যশস্য সংগ্রহের পরিমাণ ৪৭ হাজার টন বাড়িয়ে ৩১ লাখ ৪২ হাজার টন করা হয়েছে। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে ২৪ লাখ ৪০ হাজার লাখ টন। আর আমদানি করা হবে ৭ লাখ ২০ হাজার টন।

যেখানে ২০২১–২২ অর্থবছরে সরকার সংগ্রহের লক্ষ্য নির্ধারণ করে ৩২ লাখ ৫৬ হাজার টন চাল–গম। গত বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চাল ও গম আমদানির লক্ষ্য ৯ লাখ ৫০ হাজার টন নির্ধারণ করা হলেও সংশোধিত বাজেটে তা বাড়িয়ে ১৩ লাখ ৩৩ হাজার টন করা হয়।

সে হিসাবে এবার চাল ও গম আমদানির লক্ষ্য গতবারের অর্ধেক করা হয়েছে। আর এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকা।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেটে বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারি পর্যায়ে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। ২০২২–২৩ অর্থবছরে খাদ্যগুদামের ধারণক্ষমতা ২৫ লাখ টনে উন্নীত করা সম্ভব হবে। এ ছাড়া অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুযায়ী খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৭ লাখ টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

খাদ্যশস্যের সংরক্ষণের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বিদ্যমান গুদামগুলোর ধারণক্ষমতা বজায় রাখার লক্ষ্যে উন্নয়ন প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। 

জাতীয় বাজেট সম্পর্কে জানতে: এখানে ক্লিক করুন

আলুর বাম্পার উৎপাদনের ক্ষেত্রে কৃষকেরা যাতে স্বল্প মেয়াদে (৩-৪ মাস) ও সাশ্রয়ী ব্যয়ে তা সংরক্ষণ করতে পারেন, সে জন্য সরকার বাস্তুভিটাতেই আলু সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে। ক্ষুদ্র আকৃতির (২৫ ফুট লম্বা ও ১৫ ফুট প্রস্থের) ‘প্রাকৃতিক আলু সংরক্ষণাগার’ স্থাপনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

এই সম্পর্কিত পড়ুন:





Source link