সীতাকুণ্ডে দগ্ধদের চিকিৎসায় প্রস্তুত শেখ হাসিনা বার্ন ইউনিট: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

23


চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের দগ্ধদের চিকিৎসায় রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট প্রস্তুত আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। 

আজ রোববার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব নিউরোসার্জন্স আয়োজিত ১১তম আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘দগ্ধদের চিকিৎসায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটকে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় অসংখ্য লোক দগ্ধ হয়েছে। দুই ’শ জনের অধিক বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে ভেতরে কি পরিমাণ লোক ছিল সেটি এখনো জানা যায়নি।’  

জাহিদ মালেক বলেন, এ ঘটনায় ইতিমধ্যে ঢাকাতে দু-চারজন ঢামেক হাসপাতালে এসেছেন। শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটকে প্রস্তুত করেছি। এখানে সব ধরনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি প্রভাব কমলেও আসন্ন বাজেটে গত বছরের তুলনায় এবারে স্বাস্থ্য বাজেটে বরাদ্দ বাড়বে বলে জেনেছি। এতে আমাদের কাজ আরও গতিশীল হবে। 

জাহিদ মালেক বলেন, ‘দেশে নিউরোসার্জারি পরিস্থিতি ভালো আছে। আমাদের অবকাঠামো ও আধুনিক যন্ত্রপাতি রয়েছে। তবে আমাদের লোকবল, বিশেষজ্ঞ ঘাটতি আছে। দেশে ২১০ জন নিউরোসার্জন আছে, আমাদের প্রয়োজন আরও অনেক বেশি। রোগীদের যেন বিদেশে যেতে না হয় সেই লক্ষ্যে কাজ করছি। এই পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রস্তাব দিয়েছি, যা বিবেচনাধীন আছে।’ 

সংগঠনের সভাপতি নিউরোসার্জন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের চিকিৎসা পেশাজীবীদের জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) মহাসচিব অধ্যাপক ডা. এম এ আজিজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ। 

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর মতো স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নামও মানুষ মনে রাখবে। আটটি বিভাগে আটটি নিউরোসার্জারি ইনস্টিটিউট করার লক্ষ্যে আপনারা উদ্যোগ নিয়েছেন। এগুলোর পাশাপাশি সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন চালু করার অনুরোধ করব ৷ আমাদের নিউরোসার্জনেরা বিশ্বমানের সেবা দিতে সক্ষম। তবে নিউরোসার্জন বৃদ্ধি ও সেবার মান বাড়াতে তাদের আরও প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি জরুরি।’





Source link