মসজিদ-মন্দির কমিটি থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষ সরছে, দখল করছে অপরাধীরা: সংসদীয় কমিটি

34


মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কমিটি থেকে ধর্মপ্রাণ মানুষেরা দূরে সরে যাচ্ছেন। সে স্থলে অপরাধীরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পদ দখল করছে। এমন মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকু। 

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির বৈঠক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। 

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা গেছে, আগের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। আজকের বৈঠকে কার্যবিবরণীটি অনুমোদন দেওয়া হয়। 

বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, কমিটির আগের বৈঠকে মসজিদ, মন্দির ও গোরস্থানের কমিটি নিয়ে আলোচনা হয়। ওই বৈঠকে সভাপতি শামসুল হক বলেন, ‘সম্প্রতি মসজিদ, মন্দির এবং গোরস্থান কমিটি থেকে প্রকৃত ধর্মপ্রাণ ভালো মানুষ ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছেন। মাদক কিংবা সমাজ-বিরোধী কাজের কাজের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্টরা রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এসব পদে আসছেন। ফলে প্রকৃত সৎ মানুষেরা সমাজ ও দেশের জন্য অবদান রাখতে পারছে না।’ 

দেশের সব মসজিদ, মন্দির ও গোরস্থানসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে কমিটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে গঠন হলে ইতিবাচক ফল আসবে বলে মত দেন সংসদীয় কমিটির সভাপতি। পরে কমিটির সুপারিশে অন্য একটি বৈঠকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালককে আমন্ত্রণ জানানোর সিদ্ধান্ত হয়। 

সেই বৈঠকে জানানো হয়, ২০২১-২২ অর্থবছরে সারা দেশে পরিচালিত ৮টি ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে ১ হাজার ৪৫৯ নারী ও শিশু এবং ৮৮ নারী সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে ৭৯ হাজার ৫০৬ জনকে আইনগত সহায়তা, চিকিৎসা ও মানবিক ও অন্যান্য সেবা/সহায়তা দেওয়া হয়েছে। ওই বৈঠকে নড়াইলে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়। 

কমিটির সভাপতি শামসুল হক টুকুর সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন—কমিটির সদস্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল, হাবিবর রহমান, সামছুল আলম দুদু, কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, নূর মোহাম্মদ, সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ ও রুমানা আলী।





Source link