করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণ জানাল আইসিডিডিআরবি’বি 

13


দুই বছরের বেশি সময়ে বিভিন্ন রূপে হাজির হচ্ছে করোনা। গত প্রায় এক মাস ধরে ভাইরাসটির দাপট বেড়েই চলেছে। যার পেছনে ওমিক্রন ধরনের দুই উপধরন বিএ.৪ ও বিএ.৫ দায়ী বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর’বি)। তবে, এসব উপধরনে উচ্চ সংক্রামক হলেও মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির হার কম বলেও মত আইসিডিডিআর’বি’র।

সম্প্রতি করোনায় আক্রান্তদের সংগৃহীত নমুনা গবেষণা করে এমন তথ্য পেয়েছে গবেষণা সংস্থাটি। আজ মঙ্গলবার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হয়েছে। 

আইসিডিডিআর’বি বলছে, ওমিক্রনের উপধরন বিএ.৪ ও বিএ.৫ আগের উপধরনের তুলনায় দ্রুত গতিতে ছড়াচ্ছে। এর ফলে দেশে সংক্রমণের নতুন ঢেউ দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ আফ্রিকায় এই দুই উপধরন শনাক্ত হয়েছিল।

দেশে ওমিক্রনের প্রবেশ ঘটে গত বছরের শেষ সপ্তাহে। প্রাথমিকভাবে, এই বছরের জানুয়ারি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে বেশির ভাগ করোনা পজিটিভ কেস ছিল বিএ.১। পরে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ থেকে সংক্রমিত হয় উপধরন বিএ.২-এ। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিএ.১ প্রতিস্থাপন করে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সংক্রমণ ঘটায়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ৯ এপ্রিল থেকে ১৩ মে পর্যন্ত দেশে করোনা শনাক্তের হার খুব কম ছিল। গত ১৯ মে ঢাকায় প্রথম সন্দেহভাজন ওমিক্রনের উপধরন বিএ.৫ রোগী শনাক্ত হয়। এরপর গত ছয় সপ্তাহে (১৪ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত) বিএ.৫ সবচেয়ে প্রভাবশালী উপধরন হয়ে ওঠে। এমনকি এই সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ জিনোম সিকোয়েন্সিং ব্যবহার করে ৫২টি নমুনার মধ্যে ৫১টি বিএ.৫ এবং একটি বিএ.২ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

এ ছাড়া ১৬ জন পুরুষসহ ৪০ জন বিএ.৫ সংক্রমিত রোগীর ক্লিনিক্যাল ডাটা এবং টিকাদানের ইতিহাস পর্যবেক্ষণ করে ৩৯ জনের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ দেখা গেছে। বাকি একজনের কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি। তাদের মধ্যে মাত্র একজনকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল। এদের মধ্যে ১১ জন দ্বিতীয়বারের মতো এবং সাতজন তৃতীয়বারের মতো করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়।





Source link