৪০-৫০ রানে আটকে যাওয়া বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারে না

31


সেন্ট লুসিয়া টেস্টে অ্যান্টিগা টেস্টের চেয়ে তুলনামূলক ভালো শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবু দিন শেষে সুবিধাজনক অবস্থায় থাকতে পারেনি সাকিব আল হাসানের দল। আক্ষেপর কারণ, তামিম ইকবাল ও  লিটন দাস দুজনই ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি।

তামিম-লিটন ইনিংস বড় করতে পারলে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ আরেকটু ভদ্রস্থ দেখাত। দিনের খেলা শেষে ব্যাটিং পরামর্শক জেমি সিডন্সও সে কথাই বললেন। বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেমেছে ২৩৪ রানে। তামিম থামেন ৪৬ রান করে। অথচ যেভাবে শুরু করেছিলেন, বড় ইনিংস অবধারিত মনে হচ্ছিল। তখনই আলজারি জোসেফের লেংথ বলে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে জারমেইন ব্ল্যাকউডের হাতে ধরা পড়েন। ভালো কিছুর আভাস দিয়েছিলেন লিটনও। কিন্তু ৫৩ রান করা লিটনও উইকেটে থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি। 

তামিম-লিটনের আউট কিছুটা আক্ষেপে পুড়িয়েছে সিডন্সকে। দিন শেষে সিডন্সের মূল্যায়ন, ‘আজ (গতকাল) তামিম ও লিটনকে খুব স্বাচ্ছন্দ্যে দেখা গেছে, কিন্তু ৪০, ৫০-এ আটকে যাওয়া দলকে বড় সংগ্রহ এনে দিতে পারে না। এসব ব্যাটারকে এমন শুরু পেয়ে সামনে টেনে নিতে হবে।’

শান্ত-বিজয়রাও ভালো শুরু পেয়েছিলেন, কিন্তু তাদেরও একই পরিণত। প্রাথমিক কাজটা ঠিকঠাক করেও দ্রুতই আউট হয়েছেন। তবে এদিন আম্পায়ার্স কলও কিছুটা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। সিডন্সও তাই মনে করেন, ‘তরুণ ছেলেরাও মুগ্ধ করছিল, তবে আম্পায়ারের কিছু সিদ্ধান্ত আমাদের পক্ষে যায়নি। এই মুহূর্তে ২৩০ খুব ভালো কিছু না।’ 

ব্যাটিং নিয়ে নিজের তৃপ্তির কথাও জানিয়েছেন সিডন্স। তিনি বলেছেন, ‘আজকে ছেলেদের ভালো ধৈর্য দেখা গেছে। তারা বল ছেড়েছে বেশ ভালোভাবে। গত এক সপ্তাহ ধরে আমরা এটা নিয়েই কাজ করছিলাম। প্রথম টেস্ট থেকে অনেক বেশি বল খেলেছি আর তারাও (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) বেশ ভালো বল করেছে আজ। আমরা যতক্ষণ ব্যাট করতে চেয়েছি ততক্ষণ পারিনি, ২৩০ এমন উইকেটে ভালো স্কোর না। অন্তত আমি মনে করি না।’





Source link