স্পিনাররাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়

14


স্পিন পরামর্শক রঙ্গনা হেরাথ আগেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর থেকে ছুটি নিয়েছেন। ক্যারিবিয়ানে স্পিনারদের সঙ্গে থাকছেন না কোনো আপৎকালীন কোচও। তবে সফরে যাওয়ার আগে দেশে স্পিনারদের সময় দিয়েছেন স্থানীয় স্পিন কোচ সোহেল ইসলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পেস বন্ধুত্বপূর্ণ উইকেটে কীভাবে বোলিং করতে হবে সে উপায় বাতলে দিয়েছেন তিনি।

আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন সোহেল। তিনি বলেন, ‘ওখানকার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) উইকেট একটু পেসারদের দিকে হাত বাড়িয়ে দেয়। বাউন্সটা বেশি থাকে। আমাদের উইকেট দেখা যায় একটু নিচু বাউন্স থাকে। উইকেট স্কিডি থাকে। আমাদের পিচে বল করলে সেটা স্কিড করে। আর ওখানে ওই লেংথে বল করলে সেটা সহজেই ব্যাকফুটে খেলা যায়। ওখানে তাই লেংথ সামনে করতে হয় এবং বলে স্পিনও থাকা লাগে।’ 

বাংলাদেশের বেশির ভাগ সাফল্যে স্পিনারদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে। এবারও ভালো কিছু করতে হলে স্পিনারদের এগিয়ে আসতে হবে বলে মনে করেন সোহেল। এই স্থানীয় স্পিন কোচ বলেন, ‘দেশে কিংবা দেশের বাইরে আমরা যদি ইতিহাস দেখি সব সময় কিন্তু স্পিনাররা বাংলাদেশের জেতা-হারার একটা প্রবাহ হিসেবে কাজ করে। ওখানেও এটাই হবে।’ 

মেহেদি হাসান মিরাজ-তাইজুলরা ইসলামেরা ভালো কিছু করবেন বলেই বিশ্বাস সোহেলের। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আপৎকালীন কোচ হিসেবে গিয়েছিলেন সোহেল। নিজের সে অভিজ্ঞতা থেকে তিনি বলেন, ‘অবশ্যই আমি বলব যে, আমাদের ভালো সুযোগ আছে। আমরা সর্বশেষ যখন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফর করি সেটা ২০১৮ সালে। এখন ২০২২। এই ছেলে গুলোই সেখানে গিয়েছিল দলের সঙ্গে। তখন মিরাজ, তাইজুল, সাকিব ছিল। চার বছরের বেশি হয়ে গেছে। এই সময়ের ভেতর তারা দেশের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় খেলেছে। এই অভিজ্ঞতার তো একটা মূল্য অবশ্যই আছে। আমি আশাবাদী যে তারা ওখানে ভালো করবে।’ 

কদিন আগে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে নাঈম হাসানের চোটে স্পিনার সংকটে পড়ে বাংলাদেশ। উপায় না পেয়ে ব্যাটিং অলরাউন্ডার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতকে খেলানো হয়। সবদিক থেকে তখন প্রশ্ন উঠে, ভালো মানের অফ স্পিনার কি পাইপলাইনেও আছে? যেটা নিয়ে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনকেও কথা বলতে হয়েছিল। সোহেল অবশ্য বলছেন, ‘আমি বলব না অফ স্পিনার নাই। আমাদের আছে। তবে এদের পরিচর্যা করতে হবে। তাদের আন্তর্জাতিক মানের কিছু ম্যাচ খেলাতে হবে। অনুশীলনটা ওখানে লাগবে। আমি যদি ও রকম পরিবেশ তৈরি করতে না পারি বা ভালো ম্যাচ না দিতে পারি, তাহলে তৈরি হওয়া আসলেই কঠিন।’





Source link