সেই নারীর কাছে উল্টো ক্ষতিপূরণ দাবি রোনালদোর

37


ঘটনার প্রায় ১৩ বছর হতে চলল। ‘পাপের শহর’ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে ঘুরতে গিয়ে পাপিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

সেখানকার একটি হোটেলে ক্যাথরিন মায়োর্গা নামে এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় রোনালদোর; যা একপর্যায়ে শারীরিক সম্পর্কে রূপ নেয়। 

পারস্পরিক সম্মতিতে এই সম্পর্ক গড়ে উঠলেও রোনালদোর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন সাবেক মডেল ও স্কুল শিক্ষিকা ক্যাথরিন। সে সময় রোনালদো ক্যাথরিনের সঙ্গে সমঝোতায়ও বসেছিলেন। এমনকি মুখ বন্ধ রাখার জন্য ৩ কোটি টাকাও দিয়েছিলেন। তবু মামলা তুলে নেননি ক্যাথরিন। গত মাসে সেই মামলার রায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ডের পক্ষে এলে আক্ষরিক অর্থেই কলঙ্কের দাগ মুছে যায় তাঁর। তবে রোনালদোর মতো প্রভাবশালী, প্রতিষ্ঠিত ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে ক্যাথরিন যে ভুল করেছিলেন, সেটির মাশুল এবার গুনতে হচ্ছে তাঁকে। 

ক্যাথরিনের আইনজীবী লেজলি স্টোভালের কাছে ৫ কোটি ৮৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন রোনালদো। পর্তুগিজ মহাতারকার আইনজীবী পিটার ক্রিস্টিয়ানসেন এরই মধ্যে লেজলিকে আদালতের চিঠি পাঠিয়েছেন। ৮ জুলাইয়ের মধ্যে ক্ষতিপূরণ অথবা চিঠির জবাব না দিলে আইনানুগ ব্যস্থা নেওয়া হবে। 

এর আগে লাস ভেগাস আদালতের বিচারক জেনিফার ডরসি রোনালদোর পক্ষে মামলার রায় ঘোষণা করার সময় বলেছিলেন, ‘অত্যন্ত উঁচু মানের একজন ব্যক্তির (রোনালদোর) বিপক্ষে এই মামলা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ হারিয়েছেন ক্যাথরিন মায়োর্গা। অসদুপায়ে অর্জিত নথি তাঁর এই অভিযোগকে অতিরঞ্জিত করেছে। শুধু তাঁর কথায় ও বিলম্বিত উপলব্ধির ওপর ভিত্তি করে একজন সম্মানীয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে রায় দেওয়া ভুল হতো।’





Source link