বিশ্বকাপ আসার দিনে বাহরাইনের কাছে হারল বাংলাদেশ

17


আট বছর পর বাংলাদেশে এসেছে ফুটবল বিশ্বকাপের ট্রফি। সেই ট্রফি নিয়ে হইচইয়ের মাঝে খানিকটা আলো হারিয়েছিল এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বে বাংলাদেশ-বাহরাইন ম্যাচ। রক্ষণাত্মক খেলে হারের পর আড়ালেই চলে গেলেন জামাল ভূঁইয়ারা।

এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের ‘ই’ গ্রুপের চার দলের মধ্যে র‍্যাঙ্কিংয়ের বিচারে বাহরাইনই মূল পর্বে খেলার সব চেয়ে বড় দাবিদার। ৯৯ ধাপ এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আক্রমণে সাফল্যের আশা ছেড়ে রক্ষণকেই ভরসা মেনে ছিলেন বাংলাদেশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরা। সেই রক্ষণের ছিদ্র খুঁজে বের করে ম্যাচ জিতেছে বাহরাইন।  ডি-বক্সের সামনে ১০ ফুটবলারকে রেখেও বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছে ২-০ গোলে। 

রক্ষণাত্মক ফুটবলে ইন্দোনেশিয়াকে তাদের মাটিতেই রুখে দিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই একাদশটাকেই আজ মাঠে নামিয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। বাহরাইনের বিপক্ষে গোলের আশা নেই দেখে ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিলকেও শুরুর দলেও রাখলেন না কাবরেরা। ফরোয়ার্ডদের ডিফেন্ডার সাজিয়ে ৩৩ মিনিট পর্যন্ত বাহরাইনকে আটকে রেখেছিল বাংলাদেশ। এরপর প্রবল আক্রমণেই শেষ পর্যন্ত হার মানলেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকো। 

কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই  বাহরাইনের একের পর আক্রমণ ঠেকিয়ে গেলেন ইন্দোনেশিয়া ম্যাচের নায়ক জিকো। প্রথম ৩০ মিনিটে প্রতিপক্ষের বেশ ভালো চারটি আক্রমণ প্রতিহত করেছেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক। ১১ মিনিটে কর্নার থেকে মোহাম্মদ বেনাদ্দির ঝাঁপিয়ে ফেরান জিকো।

১৭ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া রহমান আল মালোদের শটও ফেরান তিনি। ২৪ মিনিটে আব্দুল্লাহ হারামের দূর পাল্লার শটও প্রতিহত হয় জিকোর ফিস্টে। 

জিকোর সব চেষ্টাই বিফলে গেছে বাহরাইনের ৮ মিনিটের মধ্যে দুই গোলে। ৩৪ মিনিটে কোমাইল হাসানের কর্নারে দারুণ হেডে জাল খুঁজে নেন আব্দুল্লাহ হারাম। ৪২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে কোমাইলের হাসানের গতিময় শট ঝাঁপিয়েও নাগালে পাননি জিকো।

ব্যবধানটা বড় হতে পারত বিরতির পরেও। দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম  ১০ মিনিটে আরও দুবার বাহরাইনকে হতাশ করেছেন জিকো। ৫৫ মিনিটে একক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বক্সে ঢুকেও জিকোকে পরাস্ত করতে পারেননি বাহরাইন ডিফেন্ডার রাশেদ আলহুতি। শেষ দিকে বাহরাইনের আরেকটি ভালো সুযোগ আটকে ব্যবধানটাকে আর বড় করতে দেননি জিকো।  গ্রুপে দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার তুর্কমিনিস্তান বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।





Source link