ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোর্ট নাদালের নামে করার দাবি ফেদেরারের কোচের

25


৩৬ বছর বয়সেও অনবদ্য নাদাল। ২২তম গ্র্যান্ড স্লাম জিতে নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে নাদাল জিতেছেন ১৪তম ফ্রেঞ্চ ওপেন শিরোপা। চোটাক্রান্ত নাদাল অনিশ্চয়তা সঙ্গে নিয়েও ছুটছেন দারুণভাবে। থামছে না নাদালের প্রশংসাও। এবার টেনিস কোচ ইভান জুবিসিচ ফ্রেঞ্চ ওপেনের কোর্ট লাল দুর্গের রাজা নাদালের নামে করার দাবি জানিয়েছেন।

ইভান জুবিসিচের অন্য পরিচয় তিনি আরেক টেনিস কিংবদন্তি রজার ফেদেরারের কোচ। তাঁর এক টুইট সাড়া ফেলেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সোমবার জুবিসিচ নাদালের রেকর্ড শিরোপা জয়ের কীর্তিকে অভিবাদন জানিয়ে টুইটটি করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘অনেক পেশাদার খেলোয়াড়ের সৌভাগ্য হয়নি রোলা গাঁরোতে ১৪ বার খেলার। আর নাদাল চ্যাম্পিয়নই হয়েছেন ১৪ বার। এমন কৃতিত্বের প্রশংসা করার ভাষা আমার জানা নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি, প্যারিসের মূল কোর্টটি নাদালের নামে হওয়া উচিত। এখন যদিও ফিলিপে চ্যাট্রিয়ারের নামে আছে। তবে কোর্টের নাম বদল হলে তিনিও বোধ হয় কিছু মনে করবেন না। অবশ্য রোলা গাঁরোর চত্বরে নাদালের একটা মূর্তি আছে। কিন্তু ফরাসি ওপেনে ওর কীর্তির তাৎপর্য বোঝানোর জন্য সেটা যথেষ্ট নয়।’ 

স্পেনের সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এসেছে, ‘নাদালের বাঁ-পায়ের টিস্যু নাকি শুকিয়ে যাচ্ছে।’ এরপরও অবশ্য নাদাল তৃপ্ত নন। ২২টি গ্র্যান্ড স্লামের মালিক নাদালের লক্ষ্য এবার উইম্বলডন। দুইবার ঘাসের কোর্টের চ্যাম্পিয়ন বলেছেন, ‘উইম্বলডন আমাকে আকর্ষণ করে। তা ছাড়া আমার কাছে একই বছরে টানা তিনটি গ্র্যান্ড স্লাম জেতার সুযোগ আছে। এখন চোটই চিন্তার বিষয়। একটা পায়ে কোনো সাড়া পাই না। এখন দেখি মন চাইলেও শরীর সায় দেয় কি না!’ 

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গত সোমবার নাদাল রীতি মেনে আইফেল টাওয়ারের সামনে ফটোসেশন করেন। পরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আইফেল টাওয়ার আমার খুবই পছন্দের স্থান। এখানে আগেও এসেছি। তবে এবারেরটা বিশেষ কিছু। কারণ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে র‌্যাঙ্কিংয়ে প্রথম দশে থাকা চারজনকে হারিয়েছি।’





Source link