নেইমারের পেনাল্টিতে ব্রাজিলের রক্ষা

32


ব্রাজিল যতবার জাপান সফর করেছে, দুহাত ভরে পেয়েছে। সূর্যোদয়ের দেশে তারা যতবারই খেলতে নেমেছে, জয়ের আনন্দে মেতেছে। 

দুই দশক আগে এই জাপান থেকেই নিজেদের পঞ্চম আর সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয় করে ফিরেছিল ব্রাজিলিয়ানরা। তবে আজ আরেকটু হলেই অজেয় থাকার রেকর্ড ছেদ পড়ত তাদের। 

সেটি অবশ্য হতে দেননি নেইমার। ৭৭ মিনিটে তাঁর সফল স্পট কিকে জাপানকে ১-০ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। 

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচে মুড়ি-মুড়কির মতো গোল করেছে ব্রাজিল। তবে টোকিওর অলিম্পিক স্টেডিয়ামে আজ ব্রাজিলিয়ানদের সামনে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন জাপানি গোলরক্ষক শুইচি গন্ডা। কাজটা কঠিন করে তুলেছিল পোস্টও। সব বাধা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত কষ্টের জয় নিয়েই মাঠ ছেড়েছে ব্রাজিল। 

এস্তোনিয়ার বিপক্ষে গত রাতে লিওনেল মেসি একাই করেছেন ৫ গোল, সুইজারল্যান্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার ম্যাচে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো দুবার পেয়েছেন জালের সন্ধান। আজ ব্রাজিলকে জেতাতেও প্রাণভোমরা নেইমারকেই এগিয়ে আসতে হলো। 

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নেইমার গোল হলো ৭৪টি। ব্রাজিলের হয়ে সবচেয়ে বেশি গোল করা কিংবদন্তি পেলেকে ছুঁতে পিএসজি তারকার দরকার আর তিনটি। 

জাপানের বিপক্ষে ম্যাচের স্কোরলাইন দেখে অবশ্য ব্রাজিলের দাপট বোঝার উপায় নেই। ৫৩ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে ২১টি শট নেন নেইমার-ভিনিসিয়াস জুনিয়র-কাসেমিরোরা, যার পাঁচটি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে স্বাগতিকদের সব শট ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট। 

ম্যাচের শেষ ভাগে ব্রাজিলের একের পর আক্রমণে বেকায়দায় পড়ে জাপান। রিচার্লিসনকে রুখতে নিজেদের বক্সে ফাউল করে বসেন ইয়াতারু এন্ডো। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান। সেটি থেকেই ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেন নেইমার। 

এ ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বলে দিয়েছেন ইউতো নাগাতোমো। দীর্ঘ ১৪ বছর জাপানের রক্ষণভাগ আগলে রাখা ডিফেন্ডার দেশের হয়ে খেলেছেন ১৩৫ ম্যাচ।





Source link