ধর্ষণের অভিযোগে ফুটবলারকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গেল পুলিশ

35


ইংলিশ ফুটবলে নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা নতুন নয়। এক বছরে ধর্ষণের একাধিক গুরুতর অভিযোগ এসেছে ফুটবলারদের বিরুদ্ধে।

পাঁচ নারীকে ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের দায়ে গত বছরের আগস্টে জেলে যেতে হয়েছিল ম্যানচেস্টার সিটির ফরাসি তারকা বেঞ্জামিন মেন্দিকে। পাসপোর্ট জমা রাখার শর্তে জানুয়ারিতে জামিন পান তিনি। একই মাসে গ্রেপ্তার হন সিটির নগর প্রতিদ্বন্দ্বী ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ফরোয়ার্ড ম্যাসন গ্রিনউড। তাঁর বিরুদ্ধে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ এনেছিলেন বান্ধবী হ্যারিয়েট রবসন।

এবার তরুণী ধর্ষণের দায়ে ইংল্যান্ড জাতীয় দল ও প্রিমিয়ার লিগের এক তারকা ফুটবলারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁকে আপাতত থানায় রাখা হয়েছে।

গতকাল স্থানীয় সময় রাত ৩টায় পুলিশের একটি দল ছয়টি গাড়ি নিয়ে অভিযুক্ত ফুটবলারের বাড়িতে অভিযান চালায়। উত্তর লন্ডনের বার্নেট এলাকার বাড়ি থেকে রাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযানের সময় ওই ফুটবলার ঘুমিয়ে ছিলেন।

ব্রিটিশ নিরাপত্তা সংস্থা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড জানিয়েছে, ওই ফুটবলার ২০ বছর বয়সী এক নারীকে ধর্ষণ করেছেন। গত মাসে এ ঘটনা ঘটে। তদন্তের স্বার্থে আপাতত খেলোয়াড়ের নাম গোপন রাখা হচ্ছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, আটক ফুটবলারের বয়স ২৯ বছর। তিনি বেশ সুপরিচিত। খেলেন টটেনহাম অথবা আর্সেনালে। কাতার বিশ্বকাপের ইংল্যান্ড দলেও তাঁর থাকা নিশ্চিত ছিল। নতুন মৌসুম শুরুর আগে ক্লাবের ক্যাম্পেও যোগ দিয়েছিলেন তিনি।

ভুক্তভোগী তরুণীর অভিযোগ, গত মাসে ইংল্যান্ডের বাইরে অবকাশ যাপনের সময় ওই ফুটবলার তাঁকে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর তিনি একটি পাঁচ তারকা রিসোর্ট থেকে পালিয়ে পরিবারের কাছে চলে যান। গত রোববার সন্ধ্যায় ইংল্যান্ডে ফিরেই থানায় উপস্থিত হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন।

সেই নারী গোয়েন্দাদের কয়েকটি ছবি দেখান। সেগুলো দেখিয়ে দাবি করেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তারকা ফুটবলারের বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ।

আটক ফুটবলারের ক্লাব কর্মকর্তারা ঘটনার কথা শুনে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। সতীর্থরাও বিষয়টি জেনে হতবাক। ক্লাব কর্তৃপক্ষ এটিকে ‘হাতুড়ি পেটা’ খাওয়ার সমান আঘাত হিসেবে পুলিশের কাছে বর্ণনা করেছে।





Source link