চোটে কাবু জভেরেভ, ফাইনালে নাদাল

20


একমাত্র রাফায়েল নাদাল ছাড়া রোলাঁ গারোর লাল মাটির কোর্ট আর কারও কথা শোনে না—কথাটি বহু দিন হলো প্রতিষ্ঠিত সত্যি।

জিমি কনর্স, জন ম্যাকেনরো, পিট স্যাম্প্রাস, বরিস বেকারের মতো কিংবদন্তি অতীতে এই বাস্তবতার সম্মুখীন হয়েছেন। আজ একই নিয়তি সঙ্গী হলো আলেক্সান্ডার জভেরেভের। টানা দ্বিতীয়বার ফ্রেঞ্চ ওপেনের ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে নামা জার্মান তারকাকে নতি স্বীকার করতে হলো চোটের কাছে। 

জভেরেভে চোটে ওয়াকওভার পেয়ে ফাইনালে উঠে গেলেন নাদাল। ১৪ তম ফ্রেঞ্চ ওপেন ও ২২ তম গ্র্যান্ড স্লাম জয়ের পথে রোববার স্প্যানিশ কিংবদন্তির বাধা ক্যাসপার রুড অথবা মারিন সিলিচ। 

অথচ নিজের ৩৬ তম জন্মদিনে উল্টো বিদায়ের করুণ সুর শুনতে পারতেন নাদাল। মহাকাব্যিক এক লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি দেওয়া জভেরেভ যে তাঁর নাভিশ্বাস তুলে ছেড়েছেন! 

স্নায়ুক্ষয়ী ৯১ মিনিটের প্রথম সেট নাদাল জেতেন কোনোরকমে,৭-৬ (১০-৮) ব্যবধানে। দ্বিতীয় সেটও চলছিল একইভাবে। ঘড়িতে কাটা তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে বেশ আগেই। ১২ তম গেমে তুমুল লড়াই। ৬-৬ সমতা বিরাজ করছিল তখন। 

নাদালকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন জভেরেভ। ছবি: সংগৃহীত 

ঠিক সে সময় নাদালের একটি শট ফেরাতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ে গিয়ে চিৎকার করে ওঠেন জভেরেভ। ব্যথায় কাতরাতে কাতরাতে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেও পারেননি। শেষ পর্যন্ত হুইল চেয়ারে বসে কোর্ট ছাড়েন ২৫ বছরের দীর্ঘদেহী জার্মান। 

একটু পর ফিরেছেন জভেরেভ। তবে ক্রাচে ভর দিয়ে। নাদালকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়তেও দেখা গেছে তাঁকে। ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ম্যাচটার ফল সেখানেই স্পষ্ট। 

বিস্ময়ের ছাপ স্পষ্ট চোখেমুখে নাদালের চোখেমুখেও। জন্মদিনে প্রতিপক্ষের এমন ‘উপহার’ নিশ্চয়ই তিনিও পেতে চাননি!





Source link