কোহলি-রোহিতের বেতন কাটার পক্ষে গাভাস্কার

40


জাতীয় দলে সিনিয়র ক্রিকেটারদের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। অথচ তাঁরাই কি না ইদানীং বিশ্রাম আর ছুটি কাটানোয় মনস্থির করছেন। কিন্তু আইপিএলের সময় কেউ ছুটি নেন না। অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের এমন মনস্তাত্ত্বিক চাহিদায় ক্ষিপ্ত সুনীল গাভাস্কার। 

সিনিয়রেরা ক্রিকেট থেকে দূরে থাকায় এ বছরের সাত মাসে সাতজনকে অধিনায়ক করতে বাধ্য হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এক বছরের কোনো দলের এত জন অধিনায়ক ইতিহাসে প্রথম। 

গত মাসে আয়ারল্যান্ড সফরে বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মাদের মতো অভিজ্ঞরা খেলেননি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজেও সিনিয়রেরা খেলেছেন বেছে বেছে। এ মাসের শেষ দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে আবার ছুটি চেয়ে বসে আছেন তাঁরা। 

দেশের প্রতি সিনিয়রদের নিবেদনে ঘাটতি দেখে চটেছেন গাভাস্কার। ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম নায়ক বলেছেন, ‘জাতীয় দলে খেলার সময়ই সবার বিশ্রাম দরকার পড়ে কেন? আইপিএলের সময় তো ছুটি চাও না। বুঝলাম, টেস্টে পরিশ্রম বেশি। কিন্তু মাত্র ২০ ওভারের খেলায় কতটা পরিশ্রম হয়?’ 

গাভাস্কার মনে করেন, বিসিসিআইয়ের বিশ্রাম নীতিতে হস্তক্ষেপ করার সময় এসেছে, ‘ওরা (কোহলি-রোহিতরা) ছুটি চাইলেই মঞ্জুর করা হচ্ছে। এটা বাজে অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। যে ক্রিকেটার প্রয়োজন ছাড়াই বিশ্রাম চায়, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমার সাফ কথা হলো—তুমি যদি দেশের হয়ে খেলতে না চাও, তাহলে বেতন নিয়ো না।’ 

ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে সময় পার করছেন কোহলি। প্রায় তিন বছর হলো সেঞ্চুরির দেখা পাননি তিনি। রোহিতও দীর্ঘ দিন ধরে সেরা ছন্দে নেই। এরই মধ্যে কোহলিকে দল থেকে বাদ দেওয়ার জোরালো দাবি উঠেছে। তবে গাভাস্কার বিষয়টি নির্বাচকদের ওপর ছেড়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের নির্বাচক প্যানেল যথেষ্ট দূরদর্শী। তারা সবার পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করে। কোহলিকে দলে রাখা-না রাখার বিষয়টি তারাই খতিয়ে দেখুক। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে অনেক সময় পাচ্ছে। তাড়াহুড়োর কিছু নেই।’





Source link