কলঙ্কের দাগ মুছে গেল ব্ল্যাটার-প্লাতিনির

24


প্রতারণা, অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির দায়ে নিষেধাজ্ঞার কলঙ্ক বয়ে বেড়াচ্ছিলেন দুজন। আদালত-জেল-আদালত করেই কাটছিল তাঁদের দিন। বারবার নিজেদের নির্দোষ দাবি করলেও মানুষের মধ্যে অবিশ্বাস্যের ঘোর লেগেই ছিল।

অবশেষে ন্যায্য বিচার পেলেন সেপ ব্ল্যাটার ও মিশেল প্লাতিনি। ফিফা ও উয়েফার সাবেক সভাপতির দেহ-মন থেকে মুছে গেল কলঙ্কের দাগ। তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় নির্দোষ ঘোষণা করে মুক্তি দিয়েছেন সুইজারল্যান্ডের আদালত।

আদালত চত্বরে মেয়ে কোরিন ও আইনজীবী লরেনৎসের সঙ্গে ব্ল্যাটার। ছবি: রয়টার্স

২০১১ সালে ফরাসি কিংবদন্তি প্লাতিনিকে নাকি ২ মিলিয়ন সুইস ফ্রাঁ (১৯ কোটি টাকা) অনৈতিকভাবে দিয়েছিলেন ব্ল্যাটার। এ ছাড়া অসদুপায়ে কাতারকে ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজনের সুযোগ করে দেওয়ার পেছনেও তাঁর হাত ছিল বলে শোনা গেছে।

১৭ বছর দোর্দণ্ড প্রতাপে ফুটবল বিশ্বের ছড়ি ঘোরানো ব্ল্যাটার ও তিনটি ব্যালন ডি’অর জয়ী প্লাতিনিকে ২০১৫ সালের জুনে নিষিদ্ধে করেছিল ফিফার নীতি নির্ধারণ কমিটি। ফিফার আইনজীবীরা দুজনেরই অন্তত ২০ বছর করে কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। তবে বিচারক কোনো ত্রুটি খুঁজে না পাওয়ায় ব্ল্যাটার-প্লাতিনির পক্ষে রায় দেন। এমনকি ওই ১৯ কোটি টাকা প্লাতিনিকে ফিরিয়ে দেওয়ারও নির্দেশ দেন।

আদালতে পৌঁছালে সাংবাদিকেরা ঘিরে ফেলেন প্লাতিনিকে। ছবি: রয়টার্স  কলঙ্কের দাগ মুছে আদালত থেকে বেরোতেই ব্ল্যাটার-প্লাতিনিকে মৌমাছির মতো ঘিরে ফেলেন সাংবাদিকেরা। মুক্তির দিনে নিজেদের আবেগ লুকোতে পারেননি তাঁরা।

৮৬ বছর বয়সী ব্ল্যাটার বলেছেন, ‘আমার লড়াইটা অন্যায়-অবিচারের বিরুদ্ধে। সেই লড়াইয়ের প্রথম ধাপে আমি জিতলাম।’

প্লাতিনি বলেছেন, ‘আমার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে বলতে চাই, গত সাত বছর ধরে যে মিথ্যাচারের ওপর দাঁড়িয়ে ছিলাম, আজ সেটার সুবিচার পেলাম।’





Source link