আর্জেন্টিনায় ফুটবল মাঠে গুলির বৃষ্টি, আহত ২০

44


চিরপ্রতিদ্বন্দ্বীদের লড়াইয়ে সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু সংঘর্ষে যদি আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা বোমার ব্যবহার হয়, সেটা নিশ্চয় কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যায়। 

ডিয়েগো ম্যারাডোনা-লিওনেল মেসির দেশ আর্জেন্টিনার ফুটবল মাঠে আজ তেমনি এক ভয়ংকর ঘটনা ঘটেছে। রাজধানী বুয়েন্স এইরেসের প্রতিদ্বন্দ্বী দুই ক্লাব লুহান ও আলেমের মধ্যকার ম্যাচে গোলাবর্ষণ ও শব্দ বোমা হামলায় স্টেডিয়াম এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। হামলাকারীদের গুলিতে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন ১৮ বছর বয়সী এক কিশোর। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২০ জন। 

চতুর্থ বিভাগের ম্যাচটি চলছিল লুহানের মাঠ ক্যাম্পও মিউনিসিপাল দি দেপোর্তেস স্টেডিয়ামে। ১৫ মিনিটের সময় হামলা চালানো হলে খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাধ্য হন রেফারি। 

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, হামলাকারীরা আলট্রাস গাড়িতে আসে। তারা পানশালার কাছে জড়ো হয়ে স্বাগতিক লুহান সমর্থকদের ওপর বৃষ্টির মতো গুলি চালাতে গুলিবিদ্ধ এক কিশোরের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহত আরও ৭ জনকে পার্শ্ববর্তী নুয়েস্ত্রা সেনোরা পৌর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। 

আহতদের অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত

গোলাগুলির মধ্যেই দুই ক্লাবের সমর্থকেরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় পাথর নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। পাথরের আঘাতে আহত হন আরও কয়েকজন। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, এক কিশোর পেট চেপে ধরে রক্ত পড়া বন্ধ করার চেষ্টা করছেন। পুলিশ এসে রাবার বুলেট ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। 

ভয়ংকর দৃশ্য সম্পর্কে আলেমের কোচ হোরাচিও ফাবরেগাত বলেছেন, ‘আমরা সবাই ড্রেসিংরুমে ছিলাম। প্রথমে দেখলাম মাঠের বাইরে কিছু একটা ঘটছে। কিছুক্ষণ পরেই একটা উচ্চ শব্দ বোমা আমাদের ডাগআউটের কাছে এসে পড়ল। বাইরে যাওয়ার কোনো উপায় ছিল না। ক্লাব সভাপতিও আমাদের সঙ্গে ছিলেন। কিন্তু (ম্যাচ চলতে থাকায়) কারও কাছে ফোন ছিল না। কীভাবে বাড়ি ফিরব, তখন শুধু এই চিন্তায় ছিলাম।’





Source link