লরেন্স বিষ্ণুই সিধু মুসওয়ালা হত্যার প্রধান পরিকল্পনাকারী

36


লরেন্স বিষ্ণুই–ই পাঞ্জাব কংগ্রেসের নেতা ও গায়ক সিধু মুসওয়ালা হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী। দিল্লি পুলিশ আজ বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ আগে থেকেই জানিয়ে আসছিল, লরেন্স বিষ্ণুই–ই মুসওয়ালা হত্যাকাণ্ডের প্রধান পরিকল্পনাকারী। তবে বিষ্ণুই এখনো এই বিষয়ে কোনো জবানবন্দি দেননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দল এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং তাঁরা এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়ন করেছে। 

লরেন্স বিষ্ণুই বর্তমানে দিল্লির তিহার জেলের বন্দী রয়েছে। 

একই মামলায় পাঞ্জাব পুলিশ ৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল মঙ্গলবার পাঞ্জাব পুলিশ ওই ৮ জনকে মুসওয়ালার হত্যায় সহায়তা করার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন সন্দ্বীপ সিং, আলিয়াস কেকদা, মানপ্রীত সিং, আলিয়াস মান্না, মানপ্রীত ভানু, সরাজ মিন্টু, প্রভ দ্বীপ সিধু, মানু ডগর, পবন বিষ্ণুই এবং নসীব। 

পুলিশ জানিয়েছিল, গ্রেপ্তারকৃতরা মুসওয়ালার হত্যাকারীদের অস্ত্র সরবরাহ, ঘটনাস্থল রেকি এবং হত্যার পর হত্যাকারীদের আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশ আরও জানিয়েছে, তাঁরা এরই মধ্য ৪ খুনিকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। 

এর আগে, গত ২৯ মে কংগ্রেস নেতা এবং পাঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসওয়ালাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন আরও দুজন। পাঞ্জাব সরকার মুসওয়ালাসহ ৪২৪ জনের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করার একদিন পর সেই ঘটনা ঘটল। ভিআইপি সংস্কৃতি বন্ধের পদক্ষেপ হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান বিভিন্ন ব্যক্তির সরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রত্যাহার করেন। 

ঘটনার সময় সিধু এবং তাঁর দুই বন্ধু একটি জিপে করে পাঞ্জাবের মনসা জেলার জওহর কে গ্রামে যাওয়ার সময় হামলার ঘটনা ঘটে। সিধুর গাড়ি লক্ষ্য করে অনেকগুলো গুলি করা হয়। পরে তাঁকে গাড়ির ভেতরে সিটে পড়ে থাকতে দেখা যায়। প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। 





Source link