ভারতের পার্লামেন্টে উত্তেজনা–হট্টগোল অব্যাহত

7


ভারতের পার্লামেন্টে চলমান বর্ষাকালীন অধিবেশনে উত্তেজনা–হট্টগোল থামার কোনো লক্ষণ নেই। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার বাড়াবাড়ি নিয়ে আলোচনা না করতে দিলে অচলাবস্থা বহাল রাখার হুমকি দিয়েছে কংগ্রেস। তবে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি জানিয়েছে, সরকার তদন্তকারী সংস্থার বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। ফলে অচলাবস্থা কাটার কোনো লক্ষণ নেই।

আজ বুধবার কংগ্রেস–বিজেপি এমপিদের দ্বৈরথে বেশ কয়েক দফায় মুলতবি হয় ভারতের পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের অধিবেশন। প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের অভিযোগ, দুই তদন্তকারী সংস্থা ইডি এবং সিবিআইকে বিরোধী দলগুলোর নেতা–কর্মীদের মুখ বন্ধ করতে বেআইনিভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এদিন, ভারতের পার্লামেন্টের লোকসভা ও রাজ্যসভা উভয় কক্ষেই কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের অতি সক্রিয়তা নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন কংগ্রেসেরে প্রতিনিধিরা। দলটির নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গের অভিযোগ, ‘সংসদ চলাকালে তাঁকে সমন পাঠিয়েছে ইডি। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।’ তাঁর আরও অভিযোগ, ‘বুধবার সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর বাসভবন পুলিশ ঘেরাও করে রাখে।’

অন্যদিকে, বিজেপির নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের দাবি, ‘কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি স্বাধীনভাবে তাঁদের তদন্ত চালাচ্ছে। সরকার কংগ্রেস আমলের মতো তদন্তে নাক গলাবে না।’ এমনকি, অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টাও হবে না বলে তিনি পাল্টা কটাক্ষ করেন। ফলে অচলাবস্থা কাটার কোনো লক্ষণ নেই।

এর আগে, ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকার মালিকানা অ্যাসোসিয়েট জার্নাল থেকে ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডে হস্তান্তরের ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করছে ভারতের আর্থিক অপরাধ দমনে নিযুক্ত এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট–ইডির কর্মকর্তারা। এরই মধ্যে কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধীসহ আরও বেশ কয়েকজনকে জেরা করেছে ইডি। সর্বশেষ গত বুধবার ইয়ং ইন্ডিয়া লিমিটেডের কার্যালয় তাঁরা সিল করে দেয় সংস্থাটি। রাজ্যসভার বিরোধী দলীয় নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে আবারও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠায় ইডি। 





Source link