পশ্চিমবঙ্গে আবারও সক্রিয় বিজেপি, মাঠে নেমেছেন মিঠুন

12


২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে মমতা ব্যানার্জির দল তৃণমূল কংগ্রেস জয়ী হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির প্রভাব কমতে শুরু করে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহসভাপতি মুকুল রায়সহ তৃণমূল ত্যাগকারী অনেক নেতাই তৃণমূলেই ফিরে আসেন। ভারতীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য, দলীয় একাধিক বিধায়ক বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে আসায় শক্তি আবারও বাড়তে শুরু দলটির।

এই অবস্থায় পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বিজেপি অনেকটাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছে। তবে, সম্প্রতি হায়দরাবাদে দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের পর আবারও পশ্চিমবঙ্গে মাথাচাড়া দিতে চাইছে বিজেপি। আর এ লক্ষ্যে, বিজেপি মাঠে নামাতে চাইছে জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা মিঠুন চক্রবর্তীকে। সভায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মমতাকে চ্যালেঞ্জ জানানোর পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে শক্তিশালী করার কথা ঘোষণা করেন। তারপরই সোমবার পশ্চিমবঙ্গে আসেন হিন্দি সিনেমার জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী।

২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই দলের সর্বভারতীয় নেতৃত্ব পশ্চিমবঙ্গকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বলে স্বীকার করেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তবে শাসক দল তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বিজেপিকে গুরুত্ব দিতেই নারাজ।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে বিজেপির প্রথম সারির নেতারা প্রচারে নেমেও ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গে জয়ী হতে পারেনি। বরং নির্বাচনের পর দলের শক্তি অনেকটাই কমেছে। বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে রীতিমতো তৃণমূল যোগ দেওয়ার হিড়িক লেগে যায়। কর্মীরাও তাই অনেক বেশি হতাশ হয়ে পড়েন।

২০১৯ সালের জাতীয় সংসদের নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি কেন্দ্রের মধ্যে বিজেপি ১৮ টিতে জয়লাভ করলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে এবার সেই আসনও তাদের পক্ষে ধরে রাখা সম্ভব নয়। তাই এখন থেকেই দলকে শক্তিশালী করতে চাইছেন বিজেপির সর্বভারতীয় নেতৃত্ব।

মিঠুন জানিয়েছেন, দিল্লির নেতাদের নির্দেশে মানুষের উন্নতির জন্য তিনি কাজ করবেন পশ্চিমবঙ্গে। তবে প্রদেশ তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ মঙ্গলবার দাবি করেছেন, পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে সাম্প্রদায়িক শক্তির কোনো স্থান নেই। বিজেপি নিজেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে উঠে যাবে। 





Source link