দুর্নীতির অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি সোনিয়া–রাহুল

41


এবার আর্থিক দুর্নীতির দায়ে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন কংগ্রেসের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী ও সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী। বুধবার ভারতের দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের ভারপ্রাপ্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট–ইডি তাঁদের তলব করে। এই দুই কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ তাঁরা ন্যাশনাল হেরাল্ড পত্রিকার অর্থ পাচার করেছেন।

কংগ্রেসের মুখপাত্র ন্যাশনাল হেরাল্ড মানি লন্ডারিং মামলায় ২ জুন রাহুলকে এবং ৮ জুন সোনিয়া গান্ধীকে হাজির হতে নির্দেশ পাঠিয়েছে ইডি। 

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে বিরোধীদের ঘায়েল করার অভিযোগ আরও তীব্রতর হয়েছে। সোনিয়া–রাহুলকে ডেকে পাঠানোর জবাবে এক সংবাদ সম্মেলনে কংগ্রেস বলেছে, ভয় দেখিয়ে তাঁদের দমিয়ে রাখার পাশাপাশি মুদ্রাস্ফীতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে মানুষের ক্ষোভকে ধামাচাপা দিতেই ডেকে পাঠানো হয়েছিল দুই কংগ্রেস নেতাকে। তাই আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই করবে কংগ্রেস। 

প্রবীণ আইনজীবী ও কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভির দাবি, ২০১৫ সালেই ইডি মামলাটি বন্ধ করে দিয়েছিল। এখন নতুন করে বিজেপিকে খুশি করতে ইডির কর্মকর্তারা কংগ্রেস নেতাদের তলব করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

কংগ্রেস মুখপাত্র রণদ্বীপ সিং সুরজেওয়ালা সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ‘বিরোধীদের ঘায়েল করতেই বিজেপি কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি, জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ থেকে দেশের সব বিরোধী দলনেতাদের মুখ বন্ধ করতে বিজেপি এই কৌশল নিয়েছে।’ বিজেপির অগণতান্ত্রিক মনোভাবের বিরুদ্ধে তাঁরা দেশজুড়ে রাজনৈতিক লড়াই করবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 

উল্লেখ্য, কংগ্রেস ছাড়াও তৃণমূল কংগ্রেস, এনসিপি, আম আদমি পার্টি–এএপিসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের একাধিক নেতা ও মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলোর অতি সক্রিয়তার অভিযোগ বহুদিনের। 

এদিকে, বিজেপি নেত্রী ডা. অর্চনা মজুমদারের বলেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে লড়াই করছেন, তাতেই ধরা পড়ছে বিরোধীদের ব্যাপক দুর্নীতি। এরই সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কোনো সম্পর্ক নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন। 





Source link