গণভোটের পর সংবিধান সংশোধন করতে যাচ্ছেন কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট

35


সংবিধান সংশোধনের জন্য কাজাখস্তানের বিপুলসংখ্যক ভোটার গণভোটে অংশ নিয়েছেন। দেশটির জাতীয় নির্বাচন কমিশনার বলেছেন, গণভোটে ৭৭ দশমিক ১৮ শতাংশ ভোট সংবিধান সংশোধনের পক্ষে পড়েছে। এরপর সংবিধান সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ট তোকায়েভ। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আলজাজিরা এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। 

স্থানীয় সময় সোমবার এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটের পর এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট কাসিম বলেন, ‘আমরা দেখলাম, নতুন এক কাজাখস্তান নির্মাণে সবাই কীভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। যে আইন একটি ছোট গোষ্ঠীর হাতে দেশের অর্থ-সম্পদ কুক্ষিগত করার অনুমতি দিয়েছে, সেই আইন আমাদের অবশ্যই সংস্কার করতে হবে।’ 

গত জানুয়ারিতে মধ্য এশিয়ার এই দেশে ব্যাপক বিক্ষোভ ও অভ্যুত্থানের চেষ্টা হয়েছিল। তখন অভ্যুত্থান ঠেকিয়ে দিয়ে কিছু সংস্কার প্রস্তাব সামনে আনেন কাসিম তোকায়েভ। প্রস্তাবের মধ্যে তাঁর সাবেক পৃষ্ঠপোষক ৮১ বছর বয়সী নাজারবায়েভ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সরকারি গুরুত্বপূর্ণ পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার উল্লেখ ছিল। 

তোকায়েভকে জানুয়ারির সংকটের আগে নাজারবায়েভ ও তাঁর অতি ধনী আত্মীয়দের ছত্রছায়ায় থাকা শাসক হিসেবে দেখা হতো। সেই তোকায়েভ এখন নাজারবায়েভ প্রভাববলয় থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। 

নাজারবায়েভ কাজাখস্তানের একজন প্রভাবশালী নেতা। প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়ার পরেও তিনি ‘এলবাসি’ বা ‘জাতির নেতা’ উপাধি অক্ষুণ্ন রেখেছেন। সংবিধান সংশোধন হলে নতুন সংবিধানে তিনি তাঁর উপাধি হারাবেন। 

এদিকে গাজিজ আবিশেভ নামের একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ‘যেহেতু নতুন সংবিধান এই মর্যাদাকে স্বীকার করে না, সুতরাং আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, এলবাসির যুগ শেষ হয়েছে।’ 





Source link