ইরানের পরমাণু চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র 

32


ইরানের পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রস্তাবিত ‘চূড়ান্ত’ প্রস্তাবের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় আজ বুধবার মার্কিন প্রশাসন এবং ইরান উভয় দেশই এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে, যুক্তরাষ্ট্রে কী প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তা এখনো জানা যায়নি। বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নেড প্রাইস এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা ইরানের পরমাণু চুক্তির বিষয়ে ইইউ প্রস্তাবিত চূড়ান্ত প্রস্তাবের ওপর ইরানের প্রতিক্রিয়া পেয়েছি। আমরা ইরানের প্রতিক্রিয়া পর্যালোচনা শেষ করে এনেছি। আমরা আজ ইইউকে এই বিষয়ে আমাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছি।’ 

বর্তমান বাইডেন প্রশাসন ইরানের এই পরমাণু চুক্তি পুনরুজ্জীবনের বিষয়ে বেশ আগ্রহী হলেও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে এনেছিলেন।

এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে—তাঁরা পরমাণু চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া জানতে পেরেছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসের কানানি বলেছেন, ‘ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন মতামত সতর্কতার সঙ্গে পর্যালোচনার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। ইরান নিজস্ব পর্যালোচনা শেষ করার পর সমন্বয়কারীর (ইইউ) কাছে এই বিষয়ে তার মতামত জানাবে।’

এর আগে, ইইউয়ের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল বলেছেন, ইইউ প্রস্তাবিত পরমাণু চুক্তির বিষয়ে ইরান যৌক্তিকভাবে সাড়া দিয়েছে। জোসেপ বোরেল বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতি হলো—আমি যে প্রস্তাব দিয়েছিলাম যা ভারসাম্যপূর্ণ প্রস্তাব বলেই মনে করি। এই প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ইরানসহ সব পক্ষকে জানানো হয়েছিল। ইরানের তরফ থেকে এই বিষয়ে যে প্রতিক্রিয়া ছিল, তা আমি যুক্তিসংগত বলেই মনে করেছি। যুক্তরাষ্ট্র এখনো এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর দেয়নি। আমরা সেই প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছি এবং আমরা আশা করি মার্কিন প্রতিক্রিয়া আমাদের আলোচনা সম্পূর্ণ করতে সাহায্য করবে।’ 

জোসেপ বোরেল আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এই চুক্তি বাস্তবায়ন সম্ভব। যাই হোক, চলতি সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান পরিষ্কার করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এই চুক্তি সফলভাবে সম্পন্ন করতে পারলে পৃথিবী আরও নিরাপদ হয়ে উঠবে।’





Source link